কাজী নূর
“চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ/প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল…” কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর কালজয়ী কবিতা ছাড়পত্র-এর বিখ্যাত পঙক্তি উদ্ধৃত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম বলেছেন, “যে যার অবস্থান থেকে দেশ, সমাজ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করতে হবে। আমাদের কর্মযজ্ঞ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। এভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সমাজকল্যাণে কাজ করে যাবে। তবেই সমাজে কাক্সিক্ষত পরিবর্তন আসবে।”
বুধবার বিকেলে ডা. আবুল কাশেম শিক্ষা ফাউণ্ডেশন-এর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাজকল্যাণ পদক প্রদান-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যশোর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাউণ্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বাস ওয়াহিদুজ্জামান এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল গফুর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর প্রতীক ইসহাক আলী কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাক মোরশেদ, মণিরামপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ উত্তম কুমার রায়, যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুল হোসেন এবং যশোর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক প্রফেসর আফজাল হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ৮ জন গুণী ব্যক্তিকে পদক, মেডেল ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ড. এম শমশের আলী (মরণোত্তর), মাওলানা ফারুক হোসেন (রস কাকু), রিকশাচালক শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবক সাহিকুল আজম শাহিল, প্রবাসী চিকিৎসক নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. শেখ মিজানুর রহমান, কাজী এমদাদুল হক এবং রাজফুল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট।
এর আগে পদকপ্রাপ্তদের জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বায়োগ্রাফি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রভাষক শামছুল হক এবং গীতা পাঠ করেন সুজন সরকার।

