Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোর জেনারেল হাসপাতালে ‘ভুতুড়ে’ স্টাফদের দৌরাত্ম্য
  • মহেশপুরে স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ, ভিডিও ধারণ: প্রেমিক ও প্রধান অভিযুক্ত আটক
  • পুলিশ পাহারায় নারীসহ রাত কাটানোর চেষ্টা ভুয়া জজ পরিচয়ে আটক জিয়া পীর
  • যশোরে আলোচিত ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলা
  • বাগআঁচড়ায় ৩০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার
  • মাদক আর জুয়ায় ভাসছে নেহালপুরসহ আশপাশের এলাকা
  • সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মধু আহরণ মৌসুমের উদ্বোধন
  • মাগুরায় মাঠে নারীর মরদেহ উদ্ধার, ২৪ ঘণ্টায় স্বামী গ্রেপ্তার
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ‘ভুতুড়ে’ স্টাফদের দৌরাত্ম্য

অনৈতিক সুবিধা ও চাঁদাবাজির নেপথ্যে রোগী হয়রানি
banglarbhoreBy banglarbhoreএপ্রিল ১, ২০২৬Updated:এপ্রিল ১, ২০২৬No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn
কাজী নূর ও স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
সরকারি কর্মচারী নন, স্বেচ্ছাসেবকও নন হাসপাতালের অনুমোদিত কোনো ডিউটি রোস্টারেও নেই নাম। অথচ গলায় ঝোলানো নীল রঙের ফিতা ও আইডি কার্ড নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দিব্যি দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বহিরাগতরা।
সাধারণ রোগী ও স্বজনদের বোঝার উপায় নেই যে, এরা হাসপাতালের কেউ নন। কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি ছাড়াই জরুরি বিভাগের বিভিন্ন শিফটে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন ৮ থেকে ১২ জন ব্যক্তি। বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে হাসপাতালের অসাধু চক্রের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এই ‘ভুতুড়ে’ বাহিনী এখন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলার ভোর টিমের সদস্য কাজী নূর ও স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রমাণ। বহিরাগত এসব ব্যক্তিদের মধ্যে বুলবুল, রাকিব, নয়ন, সাঈদ, বিশ্ব, ওসমান ও মফিজসহ অন্তত ১২ জনের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বা ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট হলো যেকোনো হাসপাতালের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। যেখানে তাৎক্ষণিক বা জীবন-সংকটাপন্ন অবস্থায় আসা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা প্রদান করা হয়। এটি হাসপাতালের “লাইফলাইন” বা হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।
এখানে সেবার প্রয়োজনে আগত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার সাথে সাথে গুরুত্বপূর্ণ ডাটা নথিভুক্ত করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি হাসপাতালের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং কিছু অসাধু সংবাদকর্মীর বিশেষ সুপারিশে নিয়োগ ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের আয়ের একটি মোটা অংকের টাকা নিয়মিত পৌঁছাচ্ছে কাজের সুপারিশ করা ওই অসাধু চক্রের পকেটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চক্রের সাথে যুক্ত একজন সদস্য জানান, জরুরি বিভাগের ‘স্বেচ্ছাসেবক’ হিসেবে পরিচিত খাইরুল ইসলাম ওরফে ব্ল্যাক খাইরুলের মাধ্যমে হাসপাতালের সাবেক ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহিদা খাতুনের সাথে মাসিক ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা কাজের সুযোগ পেতেন।
সম্প্রতি শাহিদা খাতুনকে জরুরি বিভাগ থেকে অন্যত্র বদলি করা হলে ‘ভাগবাটোয়ারা’ নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে তারা। আর তাতেই বেরিয়ে আসে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এই অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
এ বিষয়ে জরুরি বিভাগের বর্তমান ইনচার্জ ব্রাদার অনিন্দ্য দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি।
রোস্টারের বাইরে অনেকে ডিউটি করছেন। বিষয়টি আমি অবগত। তবে এ বিষয়ে আমার তাৎক্ষণিক কিছু করার নেই। আমি পুরো বিষয়টি তত্ত্বাবধায়ক মহোদয়কে অবহিত করব। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম শঙ্কা। কে স্বেচ্ছাসেবক আর কে প্রতারক চক্রের সদস্য বা প্রাইভেট ক্লিনিকের দালার নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে হাসপাতালে চুরি ছিনতাই বেড়ে যাওয়াতে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ কাজ করছে সচেতন মহলে।
যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর খান বলেন, যাদের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চেনে না বা যাদের কোনো নিয়োগ নেই, তাদের দ্বারা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে দায় কে নেবে?
তত্ত্বাবধায়ক মহোদয় হয় তাদের দায়িত্ব নিয়ে নিয়োগ দিক। নতুবা কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় তিনি এড়াতে পারেন না।
ভুক্তভোগী রোগীর স্বজন আবু সাদ মোহাম্মদ আকরাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে এমনিতেই প্রায়ই রোগীর মুঠোফোন, ওষুধ ও স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ শোনা যায়। এর ওপর পরিচয়হীন লোকজন জরুরি বিভাগে কাজ করছে এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। কে রোগী আর কে স্টাফ, তা দৃশ্যমান হওয়া জরুরি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত মুঠোফোনে জানান, সরকারি কর্মচারী বা স্বেচ্ছাসেবক না হয়েও রোস্টারের বাইরে বেশ কয়েকজন জরুরি বিভাগে কাজ করছে, বিষয়টি আমি অবগত। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি ব্যবস্থা নিতে পারছি না।
আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, খুলনা মেডিকেলেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে আমাদের এখানে এমন ঘটনার নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর একটি স্থানে পরিচয়হীন ব্যক্তিদের এমন অবাধ বিচরণ এবং আর্থিক দুর্নীতির এই অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বাংলার ভোর টিম প্রতিনিয়ত হাসপাতালের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। এর আগে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতাল এলিট দালারদের কজ্বায় শিরোনামে সংবাদ পরিবশেন করা হয়।
এই সংবাদের পর জরুরি প্রশাসনিক মিটিং করে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সতর্ক করেছে হাসপাতালের প্রশাসন। এখন দেখার বিষয় বিষয় ‘ভুতুড়ে’ স্টাফদের দৌরাত্ম্য ইস্যুতে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল ।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

মহেশপুরে স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ, ভিডিও ধারণ: প্রেমিক ও প্রধান অভিযুক্ত আটক

এপ্রিল ১, ২০২৬

পুলিশ পাহারায় নারীসহ রাত কাটানোর চেষ্টা ভুয়া জজ পরিচয়ে আটক জিয়া পীর

এপ্রিল ১, ২০২৬

যশোরে আলোচিত ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলা

এপ্রিল ১, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.