নিজস্ব প্রতিবেদক, ডুমুরিয়া
জ্বালানী তেলের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণে মাঠে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরিদর্শনসহ দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।
খোঁজ নিলে জানা যায়, উপজেলাতে মোট ফুয়েল পাম্প রয়েছে চারটি। প্রত্যেকটি পাম্পের নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে ট্যাগ অফিসার। এই সকল ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিততে ফুয়েল পাম্পের তেল দেয়া শুরু হয়। শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বিভিন্ন পাম্পে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই বাইকারদের বৈধ কাগজ পত্র যাচাই এবং ট্যাংকিতে জ্বালনি থাকা অবস্থায় তেল নিতে আসছে কিনা তা পরীক্ষা করছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার খোলা বাজারে বাড়তি দামে জ্বালানি (অকটেন) বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস।
পাম্পে কর্মরতদের সাথে কথা বললে জানা যায় প্রায় প্রত্যেকটা ফুয়েল পাম্প থেকে প্রত্যেকদিনই পেট্রোল ও ডিজেল দেয়া হচ্ছে। বেশির ভাগ বাইকারদের ৫০০ টাকার পেট্রোল দেয়া হয়। এমনকি ডিপো থেকে সরবরাহও যথেষ্ট পরিমাণে আছে।
বিষয়টি নিয়ে কথা বললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার বলেন, আমরা চাই বাইকাররা যেন ঠিকমত ফুয়েল পায়।
সেদিকটা বিবেচনা করেই কাজ করে যাচ্ছি। প্রত্যেকদিন ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে রিপোর্ট নিচ্ছি। কেউ যেনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রেখেই কাজ করে যাচ্ছি।
বাইকারদের বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা সেটাও দেখছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

