স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোরের বাজারে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা জমে উঠেছে। পোশাক ও সজ্জা সামগ্রীর পাশাপাশি ধর্মীয় উপকরণ কেনার ধুম পড়েছে। বিশেষ করে আতর, সুরমা, জায়নামাজ ও টুপির চাহিদা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন বিপণিবিতান, দোকান ও ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। মুজিব সড়কের ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ দোকানে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের টুপি। এখানে আফগানি টুপি ১শ’ টাকা, মক্কা টুপি ৮০ টাকা, নেপালি টুপি ১শ টাকা, ইন্দোনেশিয়ান টুপি ২শ ৫০ টাকা, সিকুইন্স টুপি ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, ফয়সাল ক্যাপ টুপি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মানসম্মত বিপনি বিতানে পাকিস্তানি টুপির চাহিদা বেশি। যা বিক্রি হচ্ছে ১৫শ’ টাকা দরে।
আতর ও সুরমার বাজারেও কেনাকাটার ব্যস্ততা দেখা গেছে। ফুটপাতে আতর ও সুরমার দাম ৫০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান জমজমে পাওয়া যাচ্ছে উন্নত মানের আতর ও সুরমা। এখানে হাশমি সুরমা ২শ’ টাকা, আল আমিন সুরমা ৪০ টাকা গ্রাম দরে বিক্রি হচ্ছে। আতরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ভ্যানতার ক্লথ (৮০ টাকা/মিলি), এসসাস আল আরাবিয়া (৪০ টাকা/মিলি), কুল ওয়াটার ও জুপি (২০ টাকা/মিলি), সিয়ার সেভেন (৫০ টাকা), উট (১৪০০ টাকা) ও হারামাইন হানিন (৬০ হাজার টাকা)।
জায়নামাজের মধ্যে চায়না অ্যামবুস ৬শ’ টাকা এবং হারামাইন গ্যালফ ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ইমরান হুসাইন নামে এক ক্রেতা বলেন, ঈদের নামাজের জন্য নতুন জায়নামাজ ও টুপি কেনা আমাদের পরিবারের নিয়ম। সেই সঙ্গে আতর ও সুরমা কিনেছি। এগুলো নামাজের সময় ব্যবহার করব।
ফুটপাতে বসা নাজমুল হোসেন নামে এক বিক্রেতা জানান, তুলনামূলক কম দামের কারণে অনেক ক্রেতা ফুটপাত থেকে আতর ও টুপি কিনছেন। তবে বড় দোকানে পাওয়া যাচ্ছে উন্নতমানের ব্র্যান্ডেড আতর ও সুরমা।
জমজম প্রতিষ্ঠানের বিক্রেতা আরাফ বিন জাহিদ বলেন, এ বছর কেনাবেচা খুব ভালো। শেষ মুহূর্তে এসে আতরের চাহিদা আরও বেড়েছে। এবারও ঈদের আগে আতর, জায়নামাজ ও টুপি চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন দামের ও মানের পণ্য থাকায় ক্রেতারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কিনতে পারছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ধর্মীয় সামগ্রীর কেনাকাটা বাড়ছে। বিক্রেতারা আশা করছেন, শেষ মুহূর্তে বিক্রি আরও বাড়বে।