বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সরকারি চাল নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কর্মসূচির ডিলার রাহাজ্জান আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন কয়েকজন ভুক্তভোগিদের। তাদের অভিযোগ, রোববার পাশাপোল বাজারে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৪৯৫ জন হতদরিদ্র কার্ডধারীর মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় জনপ্রতি ৩০ কেজি চাল দেয়ার কথা থাকলেও এক কেজি করে কম দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগকারীদের দাবি, কয়েকজন কার্ডধারী ডিলারের কাছ থেকে পাওয়া চাল পুনরায় ওজন করে ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত কম পেয়েছেন। এ সময় পাশাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ড. জহরুল হক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও পাশাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেয়া চালের অতিরিক্ত অংশ কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিলার রাহাজ্জান আলী বলেন, আমি কাউকে চাল কম দিইনি। চাল বিতরণের সময় দুজন কার্ডধারীর চাল মাপার ক্ষেত্রে মাপে গরমিল হয়েছিল।
তাদের এক কেজি করে চাল কম হয়েছিল। পরে তাদের সেই চাল দিয়ে দেয়া হয়েছে। চৌগাছা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কার্ডধারী ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। কোনোভাবেই চাল কম দেয়ার সুযোগ নেই। পাশাপোল বাজারের ডিলার রাহাজ্জান আলীর বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
