বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডে অবস্থিত পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস এন্ড হসপিটালের ডাক্তার এস এম মনির হোসেন রেজার বিরুদ্ধে রোগীর সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোবাবার যশোর সিভিল সার্জন অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন শহরতলীর খোলাডাঙ্গা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলামের ভাইপো জাহিদ হাসান।
সিভিল সার্জন অভিযোগটি গ্রহন করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, চৌগাছা উপজেলার বলিদাপাড়া গ্রামের জলিল মন্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৫৫) প্রচন্ড মাজায় ব্যথা হওয়ার চৌগাছা হাসপিতালে ভর্তি হয়।
চৌগাছা হাসপাতাল থেকে রবিউল ইসলামকে পপুলার মেডিকেল সার্ভিস এন্ড হাসপিটালে রেফার্ড করা হয়। পপুলার হাসপিটালে ভর্তি হওয়ার পর ডা. এস এম মনির হোসেন রেজা জানায় দ্রুত রবিউল ইসলামের মাজার অপারেশন করতে হবে। অপারেশন করতে ৮০ হাজার টাকা লাগবে।
আমার রবিউল ইসলাম টাকা জোগাড় করলে ডা. এস এম মনির হোসেন রেজা পঙ্গু হাসপাতালে ৬ মাস পূর্বে রবিউল ইসলামকে অপারেশন করান। অপারেশন করার পর রবিউল ইসলামের মাজার সমস্যা আরো বেশি আকার ধারন করে। রবিউল ইসলাম ডা. এস এম মনির হোসেন রেজাকে মাজার সমস্যার না ঠিক হওয়ার কারন জানতে চাইলে সে প্রতিনিয়ত ঔষধ দেয় কিন্তু কোন কাজ হয় না।
একপর্যায় ডা. মনির হোসেন রেজা জানায় রবিউল ইসলামের অপারেশন ভুল হয়েছে তাকে ফ্রিতে খুলনা গাজী মেডিকেল হাসাপাতাল থেকে অপারেশন করে দেবে বলে জানায়। একপর্যায় খুলনা গাজী মেডিকেলে যাওয়ার পর অপারেশন করার জন্য ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়।
রবিউল ইসলামের কাছে টাকা নাই দিতে পারবে না বললে রবিউলকে ঔষধ লিখে পাঠিয়ে দেয়। ডা.মনির হোসেন রেজার তালবাহানায় অপারেশন করা থেকে এই পর্যন্ত রবিউল ইসলামকে আনুমানিক তিন লক্ষ টাকা খরচ করানো হলেও চিকিৎসার কোন উন্নতি হয় না।
বিষয়টি নিয়ে ডা. রেজার সাথে কথা বলার একপর্যায় রবিউল ইসলামকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেন। তখন রবিউল ইসলাম চিকিৎসার টাকা ফেরত চাইলে তাকে গালিগালাজ করে ও বিভিন্ন ধরনে হুমকি দেয়া হয়।
একপর্যায়ে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টায় পপুলার মেডিকেল সার্ভিস এন্ড হাসপাতালে যেয়ে রবিউল ইসলাম টাকা ফেরত চাইলে তার সাথে খারাপ আচরণ করে তাড়িয়ে দেয়।
উল্লেখ্য ইতিপূর্বে পপুলার মেডিকেল সার্ভিস এন্ড হসপিটালে রবিউল ইসলাম ছাড়া আরও বিভিন্ন লোকজনের সাথে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নিয়াছে।
