বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরের বিভিন্ন পয়েন্টে ৪৩টি স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় প্রায় ১৭শ’ যানবাহন তল্লাশি করা হয়। নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
এ সময় ৪৩টি মোটরসাইকেল আটক এবং ১২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যকে আটকের দাবি করা হয় পুরিশের পক্ষে থেকে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযান চলাকালে যশোরের আরএন রোডের ক্ষণিকা হোটেলের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যশোর জেলাজুড়ে পুলিশের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর যশোরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় ১৫৫ জনকে আটক করা হয়েছিল।
উদ্ধার করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র ও ককটেল। ডিবি পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের সহায়তায় যশোরের নয়টি থানায় একযোগে মঙ্গলবারও এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশকে যেন অস্থিতিশীল করা না হয়, জনগণের জানমালের কোনো ধরনের ক্ষতি না হয় এবং সর্বোপরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল আহসান হাবীব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেল মুন্না বিশ্বাস, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মাফুজুর রহমান এবং কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন।
জানা যায়, যশোর শহরের চারখাম্বার মোড়, জজকোর্ট মোড়, আরএন রোড, দড়াটানা, ধর্মতলা ও নিউমার্কেট এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। সন্দেহ হলে যাত্রীদের দেহতল্লাশিও করা হয়।
