Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • জাতীয় পার্টির যশোর জেলা ও উপজেলার ২৫ নেতার পদত্যাগ
  • একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই
  • জামাই ষষ্ঠীর বেচাকেনায় বাজার চাঙ্গা : সব্জি ছাড়া সবকিছুর দামই চড়া
  • বেনাপোলে দেড় লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ
  • যশোরে বড় বোনের ছুরিকাঘাতে ছোট বোন আহত
  • মণিরামপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও সৎবাবা কারাগারে
  • যশোরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি
  • ডুমুরিয়া প্রশাসন ও পাউবোর তদারকিতে রক্ষা পেল আবাসনের ১৯ পরিবার
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শনিবার, জুন ২০
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম জানুয়ারি ২, ২০২৬

যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবন বিপর্যস্ত

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsজানুয়ারি ২, ২০২৬
Facebook Twitter WhatsApp
যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবন বিপর্যস্ত
Share
Facebook Twitter LinkedIn

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা যশোরের জনজীবন। কনকনে শীতের সঙ্গে ঠান্ডা বাতাসের দাপটে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রাণিকুল পর্যন্ত জুবুথুবু হয়ে পড়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এই জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ছিল আরও নিচে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরপর দু’দিনই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই জেলায় রেকর্ড করা হলো। চলতি মৌসুমে এ নিয়ে চারদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হলো যশোরে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসায় বর্তমানে যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। অধিদপ্তর জানায়, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে এলে তাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। বর্তমানে দেশের ১৭টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তাপমাত্রা কম থাকার পাশাপাশি বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি। শীতল বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতিও বেড়ে গেছে অনেক গুণ। যা হাড় কাঁপিয়ে দিচ্ছে সাধারণ মানুষের।

টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে যশোরের জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। শুক্রবার ভোর ছিল ঘন কুয়াশায় ঢাকা। সকালে কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঠলেও তার ক্ষীণ আলো কুয়াশাকে পুরোপুরি সরাতে পারেনি এবং গায়ে উষ্ণতাও জাগাতে পারেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা সরলেও শীতের দাপট দিনভর অব্যাহত থাকে।

ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলার, টুপি ও কম্বলে শরীর ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। অনেকে অসহ্য শীতে ঘর থেকে বের হননি। বিশেষ করে খুব সকালে প্রতিদিনের মতো চাষিদের জমিতে বা খেটে খাওয়া দিনমজুরদের কাজের সন্ধানে দেখা মেলেনি।

শহরের লালদীঘির পাড়ে শ্রমিক জনগোষ্ঠীর বহর প্রতিদিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে এসেছে। শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে এই শ্রেণির মানুষদের।

রিকশাচালক আবু বক্কর বলেন, দুই দিন ধইরা শীতের এমন দাপট যে রিকশা চালানোই কঠিন। প্যাডেল মারতে মারতে হাত-পা অবশ হইয়া যাইতেছে। যাত্রীও কম, তাই আয়ও নাই। পেটের দায়ে আসছি। কিন্তু কষ্ট পাইতেছি খুব।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রমজান আলী বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে অসহ্য শীতের কাঁপুনির কারণে মানুষ তাড়াতাড়ি ঘরে ফেরে। বেচাকেনাও কমে গেছে। রাতে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় আমরাও তাড়াতাড়ি দোকান বন্ধ করে দিচ্ছি।

বিকেলের দিকেও শীতের দাপট বেশ অনুভূত হচ্ছে। আর সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হচ্ছে অসহ্য শীতের কাঁপুনি। রাস্তায় রিকশা ও অটোরিকশার সংখ্যা কম থাকায় অফিস ও কাজ থেকে ঘরে ফেরা অনেক মানুষকে ধীর পায়ে হেঁটে গন্তব্যে ফিরতে দেখা যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

জাতীয় পার্টির যশোর জেলা ও উপজেলার ২৫ নেতার পদত্যাগ

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই

জামাই ষষ্ঠীর বেচাকেনায় বাজার চাঙ্গা : সব্জি ছাড়া সবকিছুর দামই চড়া

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.