বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরের ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বিএম এলোম হোসেন রানার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন সাবেক সেনা সদস্য আবুল কালাম আজাদ। বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করেন, বৈধ দলিল ও নামজারি থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
তিনি জানান, যশোর সদর উপজেলার চাঁদপাড়া মৌজার ৭০১ ও ৭০২ নম্বর দাগের ৯.৩৭ শতক জমি বৈধ রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে স্থানীয় সুজনের কাছ থেকে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তার নামে নামজারি খতিয়ানও অনুমোদন হয়। জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় স্থানীয় মিলন, তার স্ত্রী এবং ১২ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বিএম এলোম হোসেন রানা বাধা দেন। একপর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে তিনি প্রাচীর নির্মাণ করেন।
আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, পরে বিএনপি নেতা রানা জমি বিক্রেতা সুজনের মৃত চাচার স্ত্রী হনুফা বেগমকে দিয়ে ওই জমিতে অংশিদারিত্বের দাবি করান এবং ১৪৪ ধারায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৪৫৯/২৬। এরপর থেকে জমিতে গেলেই তারা বাধা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাবেক এই সেনা সদস্য। তিনি বলেন, আমার কাছে বৈধ দলিল, নামজারি এবং পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন রয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমার জমিতে হামলা, ভাঙচুর ও দখলের চেষ্টা কেন করা হচ্ছে এটাই আমার প্রশ্ন।
উল্লেখ্য, এর আগে ওই জমির পূর্বের মালিক সজিবের পরিবার বিএনপি নেতা রানার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলণ করে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সেনা সদস্য আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী শাহানাজ পারভীন, ভাই সাবেক সেনা সদস্য জাহিদ হোসেন, সাবেক সেনা সদস্য মফিজুল ইসলাম, সাবেক সেনা সদস্য তুহিন হোসেনসহ অন্যান্যরা।
