বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর শহরতলীর শংকরপুর এলাকার গারে হেরা দারসূল কুরআন আইডিয়াল মাদ্রাসার পরিচালক ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে বেতনসহ বিভিন্ন খাতে টাকা নেয়ার পর মাদ্রাসা ছেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
একই সঙ্গে ১২ জন শিক্ষকের বেতন ও বকেয়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। পরিচালকের অনুপস্থিতিতে মাদ্রাসার কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।
মাদ্রাসা শিক্ষকরা জানান, কয়েক মাসের বেতন বকা রয়েছে তাদের। অন্যদিকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও অগ্রিম বেতন নেয়া হয়েছে। কিন্তু বছর শেষের দিকে হঠাৎ করেই মাদ্রাসা থেকে চলে যান পরিচালক ইমরান হোসেন। এরপর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।
শিক্ষার্থীদের খাবারের মান নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি,দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের ও বাসি খাবার পরিবেশন করা হতো। কখনো পচা বা পোকাযুক্ত চাল,ডাল ও আলু ভর্তাসহ অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করা হতো বলেও অভিযোগ।
এমনকি মাদ্রাসার পাশের ময়লা আবর্জনা ও বাথরুমের পানি নিস্কাশনের স্থান থেকে ও শাকসবজি সংগ্রহ করে রান্না করে শিক্ষার্থীদের খাওয়ানোর অভিযোগও করছেন তারা।
মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শাহজাহান বাবু বলেন প্রতিবাদ করা তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে। অভিভাবকদের কাছ থেকে নেয়া টাকা শিক্ষকদের বকেয়া বেতন এবং মাদ্রাসার বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার পরিচালক ইমরান হোসেনকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
