শ্যামনগর সংবাদদাতা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ঘোষিত শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ হাসনাত হাসুর অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে শ্যামনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকেলে শ্যামনগর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের সামনে কাশিমাড়ী ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে শতাধিক নারী পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গাংআটি গ্রামের মেহেদী হাসান, সাদ্দাম হোসেন সহ নকিপুরের বিউটি পারভিন।
মেহেদী হাসান বলেন, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগ আমলে দুর্ধর্ষ ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরও হাসনাত হাসুর অত্যাচার নিপীড়ন থামেনি। তার বাহিনী এখনো এলাকায় সক্রিয়। তার মদদে আমাদের দীর্ঘ ৪০/৫০ বছরের চলাচলের পথ কেটে ধান রোপণ করা হয় যা থানা পুলিশের সহায়তায় অপসারণ করা হয়। তারপরও হাসনাত হাসুর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আবারো পথ কেটে ধান রোপণ করা হয়। এ ঘটনায় আদালতে উভয় পক্ষের মামলা হয়। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে শ্যামনগর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা নোটিশ জারি করতে আসলে হাসনাত হাসু সুকৌশলে অনলাইন পোর্টালে সাংবাদিকদেরকে ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে দেয়। যার প্রেক্ষিতে থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়। সাদ্দাম হোসেন বলেন, হাসনাত হাসু আওয়ামী লীগের আমলে এলাকার মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি চাঁদাবাজি করত। এখন সে আমার জামাইকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। মেহেদীকে বলেছে সাতক্ষীরা যাবি কিভাবে পথে আশাশুনি ব্রিজের নিচেই তোকে মেরে ফেলে রাখবো। ওদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না, কথা বললেই হুমকি দেয়। নকিপুর এলাকার বিউটি বলেন, হাসনাত হাসু একটা প্রতারক চাঁদাবাজ। তার সাথে বিভিন্ন লিডার ক্যাডারদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। সে নিজেকে কোর্টের মহুরী পরিচয় দিয়ে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েও আমার মামলার সমাধান করেনি বা টাকাও ফেরত দেয়নি। তার বাবার কাছে গেলে বলে আমার ছেলে খারাপ সে বউ বাচ্চা নিয়ে কোথায় আছে জানিনা। তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে হুমকি দেয়।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, আমাদের আইনী সহায়তা প্রদান করায় দুই এসআই আমিরুজ্জামান ও এএসআই ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায় ফ্যাসিস্ট হাসনাত হাসুসহ তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

