বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরখাস্তকালীন সময়েও নিয়মিত অফিস করতে হবে।
তবে তারা পূর্ণাঙ্গ বেতনের পরিবর্তে পাবেন কেবল অর্ধেক বেতন এবং বন্ধ থাকবে অন্যান্য সকল সুযোগ-সুবিধা। যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মো. আব্দুল সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নাম সংশোধনের আইডি ছাড়িয়ে দেয়ার নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগে একাডেমিক শাখার উপসচিব শেখ মোহাম্মদ শফিউদ্দিনকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এবং একই শাখার উচ্চমান সহকারী শাহজালাল সাজুকে ২১ সেপ্টেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এর আগে চেয়ারম্যানের নির্দেশ অমান্য করায় গত ২৬ আগস্ট চেয়ারম্যানের গাড়িচালক রমজান আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে সাময়িক বরখাস্ত হলেও এ তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়মিত দায়ভার থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।
সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো তাদেরও প্রতিদিন বোর্ডে উপস্থিত হয়ে নিয়মিত অফিস করতে হচ্ছে। শাস্তি হিসেবে তারা মূল বেতনের অর্ধেক (খোরপোষ ভাতা) পাবেন এবং তাদের অন্যান্য আর্থিক ও প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা স্থগিত থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মো. আব্দুল সালাম জানান, বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকতে হয়।
নিয়ম মেনেই তাদের পূর্ণ বেতনের জায়গায় অর্ধেক বেতন দেয়া হচ্ছে এবং বাকি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রাখা হয়েছে।
