বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
চিত্রশিল্পী ও লেখক মফিজুর রহমান রুননু বলেছেন, ছোটদের চিত্রাঙ্কনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিত্রাঙ্কনের মধ্যে দিয়ে তাদের ভাবনা কি সেটি প্রকাশ পায়। সমাজ গঠনে এবং যেকোন সৃজনশীল কাজে শিশুদের উৎসাহিত করতে হবে। এখন থেকে তাদের গড়ে তুলতে হবে। কারণ এরাই একসময় সমাজের নেতৃত্ব দেবে।
শুক্রবার বিকেলে মুনশি মেহেরুল্লাহ ময়দানের রওশন আলী মঞ্চে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নেতৃবৃন্দ।
বিবর্তন যশোর পরিচালিত চারুকলা শিক্ষালয় ‘আনন্দ বাড়ি’র আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শর্মিষ্ঠা তুপা। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ‘আনন্দ বাড়ির’ অধ্যক্ষ শীলা রাণী দাস, বিবর্তন যশোরের সাধারণ সম্পাদক নওরোজ আলম খান চপল ও যশোর ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি সেক্রেটারি অধ্যাপক জুলফিকার আলী মাসুম।
এর আগে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ফিতা কেটে চিত্রপ্রর্শনীর উদ্বোধন করেন চারুপীঠ যশোরের অধ্যক্ষ ভাস্কর মাহবুব জামাল শামীম এবং চিত্রশিল্পী ও লেখক মফিজুর রহমান রুননু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর ইনস্টিটিউটের সহ সভাপতি সানোয়ার আলম খান দুলু, চারুপীঠ যশোরের সেক্রেটারি কাজী মামুনুর রশীদ, বিবর্তন যশোরের উপদেষ্টা ইয়াসিন আলী ছটু, সংস্কৃতিজন তরিকুল ইসলাম তারু, আতিকুজ্জামান রনিসহ যশোরের সাহিত্য সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ। চিত্র প্রদর্শনীতে ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের চিত্রাঙ্কন স্থান পায়। এতে বিদূষী বসু, সুবাহ শারিন, জোহাইব আসকার, অদ্রিতা চক্রবর্তী, লাবিবা তাসনিমসহ ৩৯ শিশু অংশগ্রহণ করে।
শেষে কবিতা আবৃত্তি, গান ও নাটক নাককাটা রাজা এবং পুতুলের বিয়ে মঞ্চস্থ হয়।

