পাইকগাছা সংবাদদাতা
উপকূলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনসহ ৪২টি সংগঠন।
শুক্রবার খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আয়োজিত সাইকেল র্যালি ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপি প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে পাইগাছার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে একটি সুসজ্জিত সাইকেল র্যালি শুরু হয়ে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি, কাশিমনগর এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে প্রচার চালানো হয়।
সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। রামপাল ও মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যমান জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। উপকূলের বেড়িবাঁধ ও বিস্তীর্ণ চরও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যেতে পারে। এ সকল বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত করার পাশাপাশি বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে। দূষণের কারণে সোলার প্যানেলে ধুলার স্তর জমে কার্যক্ষমতা কমে যায়। ফলে দূষণ কমানো গেলে সোলার প্যানেলের কার্যকারিতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন দুটিই বাড়বে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীরণ দে, অনির্বাণ লাইব্রেরির সহ-সভাপতি বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র, উন্নয়নকর্মী এস এম আফজাল হোসেন, পরিবেশকর্মী শহিদুল ইসলামসহ অনেকে।
