কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থানায় কর্মরত এএসআই গোলাম মোরশেদের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে আসামিদের কাছ থেকে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার একটি মামলার আসামিদের নাম ঠিকানা সনাক্তের জন্য তদন্ত আসে কোটচাঁদপুর মডেল থানায়। যার তদন্তের দ্বায়িত্ব পান এএসআই গোলাম মোরশেদ। ওই মামলায় ৪ জন আসাামর সাথে যোগাযোগ করে ভালো প্রতিবেদন দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩৩ হাজার টাকা গ্রহণ করেন তিনি। আসামিদের একজন ইসরাফিল হাসান ইছা জানান আমাকে জীবননগর থানার একটি ছিনতাই মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওই মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে এএসআই গোলাম মোরশেদ আমার কাছে ২৫ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি উপায় না পেয়ে ছাগল বিক্রি করে তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। তিনি পরে আরো ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন। যা আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব হয়নি। পরে খোজ নিয়ে দেখি ওই মামলায় আমার নামই নেই।
গালীমপুরের ভ্যান চালক তুফা জানান, আমি বাড়িতে না থাকা অবস্থায় এএসআই গোলাম মোরশেদ আমার বাড়িতে যান এবং মামলার ভালো রিপোর্ট দেবেন বলে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।
জালালপুর গ্রামের নাসির মেম্বর জানান ওই মিথ্যা মামলা থেকে আমার নাম বাদ দেয়ার কথা বলে এএসআই গোলাম মোরশেদ ৮ হাজার টাকা নিয়েছেন। রেজাউল ইসলাম জানান তার কাছ থেকে একই ভাবে মিথ্যা কথা বলে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এএসআই গোলাম মোরশেদ।
তদন্তের নামে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই গোলাম মোরশেদ জানান আমি জীবননগর থানার একটি মামলায় আসামিদের সনাক্তের জন্য তাদের সাথে যোগযোগ করেছি কোন টাকা নেইনি।
কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি তদন্ত জানান আমি মাত্র গতকাল এই থানায় যোগদান করেছি এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

