Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • উপশহরে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন
  • গণভোটের রায় অস্বীকার করে জনগণকে অপমান করেছে সরকার : ডা. শফিকুর রহমান
  • যশোরে কন্দাল ফসলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা
  • গরু-ভেড়ার অবাধ বিচরণ আশাশুনি-বুধহাটা সড়কে
  • পোফ’র রজত জয়ন্তী উদযাপন
  • বাঘারপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় : গাছের ডাল ছাঁটার নামে বড় লগ কাটার অভিযোগ
  • যশোরে ধানক্ষেত থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার
  • মাসুদুর রহমান স্মরণে যশোরে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির দোয়া
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Sunday, November 1
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

গণভোটের রায় অস্বীকার করে জনগণকে অপমান করেছে সরকার : ডা. শফিকুর রহমান

banglarbhoreBy banglarbhoreOctober 31, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক ;
গণভোটের রায় অস্বীকার করে সরকার জনগণকে অপমান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু সরকার সেই গণরায় অস্বীকার করেছে। জনগণ তাদের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এর জবাব দেবে। এখনো সময় আছে, শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে গণভোটের রায় মেনে নিন। অন্যথায় জনগণই তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।

শনিবার বিকেলে যশোর শহরতলীর মুড়লী মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাত দফা দাবি কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার ব্যক্তিগত দাবি নয়, এটি জনগণের দাবি। জনগণের পক্ষ থেকেই ১১ দলীয় ঐক্য এসব দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছে। গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। অথচ সরকার সেই গণরায় অস্বীকার করেছে। সংসদ নির্বাচনের রায় ছিনতাই করা হলেও গণভোটের রায় ছিনতাই করতে পারেনি। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে গণভোট মেনে নেয়ার কথা বললেও ক্ষমতায় বসার পর সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের রায়কে তারা অস্বীকার করেছে, আপনাদের অপমান করেছে। এর প্রতিশোধ জনগণ নেবে ইনশাআল্লাহ। জনগণ তাদের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমেই প্রতিশোধ নেবে।’

সাত দফা দাবির মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, এই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই বাকি ছয়টি দাবি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। একটি ইনসাফপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও যুবসমাজের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রথম দফা দাবি সবার আগে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সময় আছে, সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিন। সময় যদি চলে যায়, তাহলে কেউ আর আপনাদের দিকে ফিরে তাকাবে না।’

সরকারের বিভিন্ন ধরনের কার্ড বিতরণ কর্মসূচি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডা. শফিকুর রহমান। উপস্থিত জনতার কাছে জানতে চান, তাদের মধ্যে কারা এসব কার্ড পেয়েছেন।

এ সময় কেউ হাত না তোলায় তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি বাংলাদেশের জনগণ না?’ তিনি বলেন, এসব কার্ড জনগণের অর্থে দেয়া হচ্ছে। তাহলে সাধারণ মানুষ কেন তা পাচ্ছে না, কার্ডগুলো কোথায় যাচ্ছে-সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। কার্ড বিতরণে অনিয়মের ইঙ্গিত করে তিনি ব্যাঙ্গাত্মকভাবে বলেন, রাতের বেলা পুকুরপাড়ে কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

এর আগে বিশেষ অতিথি বক্তব্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে সরকার গাদ্দারি করছে, জনগণকে অসম্মান করছে। গণভোট অবৈধ হলে এ সরকার ও সংসদও বৈধ হতে পারে না। আমরা জুলাই বিপ্লবের প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট পুনর্ব্যক্ত করছি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছি।

সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তেল ও গ্যাস সংকটে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করায় দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার প্রচার করেছেন। অথচ ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেই রায় অস্বীকার করা হচ্ছে। জনগণের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদেই ১১ দল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে নেমেছে।

তিনি দ্রব্যমূল্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারি এবং সার, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কথা তুলে ধরে সরকারের আট মাসের শাসনামলের সমালোচনা করেন। কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জনগণ সরকারকে লাল কার্ড দেখাবে।

অন্যদিকে, পথসভায় বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে বলেন, বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের অনিয়ম ও নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ থাকলে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। আপসকামিতার রাজনীতি দিয়ে প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা পালন সম্ভব নয়।

সরকারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাহীনতা, চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজি, দলীয়করণ ও কর্মসংস্থান সংকটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তরুণেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছেন না। দেশের মানুষ কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন চান। এসব সমস্যার সমাধান না হলে জনগণ আবার রাজপথে নামবে।

অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দেশে চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজি, সন্ত্রাস ও দলীয়করণ বন্ধ না হলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমির হামিদ হোসেন আজাদ, যশোরের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য এবং ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ, যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমান, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুক্তার আলী, যশোর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. নুরুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যশোরের সভাপতি মাওলানা বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিল্পপতি ভিপি আব্দুল কাদের, অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা, এনসিপির সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান আজাদ, জেলা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রিপন, জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক ড. ইয়ামিনুর রহমান, এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম মিলন, জেলা বিডিপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, যশোর সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আশরাফ আলী, শহর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা ইসমাইল হোসেন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের যশোর শহর সভাপতি ওবাইদুল্লাহ হুসাইন, জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি মিনারুল ইসলাম, জেলা পশ্চিম শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন এবং জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক খান মিফতাহুল অমিতসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    উপশহরে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন

    October 31, 2026

    যশোরে কন্দাল ফসলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা

    October 31, 2026

    গরু-ভেড়ার অবাধ বিচরণ আশাশুনি-বুধহাটা সড়কে

    October 31, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো. আজহারুল ইসলাম মিথুন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.