বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে জাল প্যাথলজি রিপোর্ট সরবরাহকারী সিণ্ডিকেটের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর দিনভর পাঠক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে দৈনিক বাংলার ভোর।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাসপাতালপাড়া, চিকিৎসক সমাজ, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ পাঠকের মধ্যে প্রতিবেদনটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা যায়। শহরের বিভিন্ন সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্রে দৈনিক বাংলার ভোর সংগ্রহে পাঠকদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
পাঠকদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বেলা ১২টার আগেই হাসপাতাল মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স ইজাহার আলী’ সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্রের সব কপি বিক্রি হয়ে যায়। পরে অনেক পাঠক সেখানে গিয়ে পত্রিকা না পেয়ে ফিরে যান। অনেকে আবার পত্রিকার ই-পেপার থেকে প্রতিবেদনের ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন।
বাদল নামে এক পাঠক জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হাসপাতাল মোড়ের দোকানে গিয়ে ‘বাংলার ভোর’ পাননি। পরে ঈদগাহ মোড়ে পরিবেশকের দোকান থেকে পত্রিকাটি সংগ্রহ করেন। তার ভাষ্য, হাসপাতাল মোড়ের দোকান থেকে এক ব্যক্তি একাই শেষ ছয়টি কপি কিনে নিয়ে যান।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর চিকিৎসক, সাংবাদিক, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের অনেকে মনে করছেন, হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে জাল প্যাথলজি রিপোর্ট তৈরির অভিযোগ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুতর বিষয়। এমন অনিয়ম অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকাশ করায় ‘বাংলার ভোর’-এর প্রতি তারা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পাঠকদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেবে এবং হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।

