বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
অসাধু উপায়ে রিজিক অর্জনের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, আল্লা যে রিজিক নির্ধারণ করেছেন, সেই রিজিক মানুষের ঘরে পৌঁছে যাবে। এর জন্য অসৎ পথ অবলম্বনের প্রয়োজন নেই।
মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর শহরের টাউন হল মাঠে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে সেখানে থেকে আনন্দ র্যালি বের করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে সকালে দলীয় নেতাকর্মীর কারবালা কবর স্থানে গিয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফসার আহমেদ সিদ্দিকীসহ প্রয়াত নেতৃবৃন্দের কবর জিয়ারত ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সূচনা করেন। এ সময় জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা করে গেছে, যার কারণে নতুন রাজনীতিতে আসা অনেকেই হয়তো সেটিকেই রাজনীতির মূল সংস্কৃতি মনে করেন। নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডেও অনেক সময় সেই সংস্কৃতির প্রতিফলন দেখা যায়।
তিনি বলেন, নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে, পতিত ফ্যাসিস্টের ভাষায় কথা বলা, প্রতিমুহূর্তে অন্যদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা কিংবা বড়দের অসম্মান করা কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি হতে পারে না। অন্তত এই সংস্কৃতি বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সংস্কৃতি নয়। বিএনপিও এই সংস্কৃতি ধারণ করে না। অমিত আরও বলেন, তারেক রহমানকে সফল করার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
বর্তমান সরকারের সব কর্মসূচি যেন যথাযথভাবে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত হতে পারে, সে জন্য সবাইকে সদা সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি, তারা পর্দার অন্তরালে এক হচ্ছে। তাদেরকে রুখে দিতে আমাদের সকলকে এক হতে হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবিরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন,সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমদ সিদ্দিকী বাচ্চু, শহিদুল বারী রবু, সাবেক সহসভাপতি ও চেম্বরের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, আব্দুস সালাম আজাদ, এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু, অ্যাড. হাজী আনিসুর রহমান মুকুল,সিরাজুল ইসলাম, নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ, সচিব রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সদস্য সচিব শাহনেওয়াজ ইমরানসহ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে টাউন হল মাঠ থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জজ কোর্ট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয়ের জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
