বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
নজরুলবর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে স্টুডিও ফিউশন আর্ট যশোরের আয়োজনে বিশুদ্ধ সুরে ১২ শিল্পীর ১২টি নজরুল সঙ্গীতের অডিও ভিডিও নির্মাণের লক্ষ্যে শিল্পীদের যোগ্যতা যাচাই বা অডিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের ভোলা ট্যাংক রোডস্থ সুরধুনী সংগীত নিকেতন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যোগ্যতা যাচাই অনুষ্ঠানে ২২ জন নিবন্ধনকৃত শিল্পী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শাস্ত্রীয় ও নজরুল সংগীত বিশেষজ্ঞ ওস্তাদ অর্দ্ধেন্দু প্রসাদ ব্যানার্জী। বিচারকমন্ডলিতে ছিলেন সুরবিতান একাডেমির অধ্যক্ষ এনামুল হক, সুরধুনী সংগীত নিকেতনের প্রশিক্ষক (নজরুল সঙ্গীত) অপর্ণা দাস, পুনশ্চ সংগীত বিদ্যায়তনের প্রশিক্ষক (নজরুল সঙ্গীত) লক্ষ্মী রাণী বৈদ্য, কারিগরি বিশেষজ্ঞমন্ডলীতে ছিলেন আসাদুজ্জামান (বি মিউজ), বাবর মৃধা, সুরকার ও গীতিকার কামরুজ্জামান আজাদ, গিটারিস্ট আহসান খান রুবেল।
প্রাথমিক বাছাই পর্বে নির্বাচিত হয়েছেন, তাওহিদুল ইসলাম, পৌষী পোদ্দার, পায়েল হালদার, কৃষ্ণা দেব ভক্ত, সৌমিক সরকার, তাথৈ সাহা, শচীন বর্মণ, মেধা সাহা, ঝংকার মজুমদার, প্রিয়ন্তী ভট্টাচার্য, রাইমা ফারিন প্রত্যাশা, সুলগ্না ভট্টাচার্য, ইউসরা মানহা, প্রজ্ঞা দত্ত ও অহেনজিতা মৃধা। প্রাথমিক যাচাইয়ে বিজয়ীদের নির্বাচিত গান প্রদানের পর সুর পরিশোধনের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং একই সাথে পর্যায়ক্রমে ১২ শিল্পীর রেকর্ডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
ওস্তাদ অর্দ্ধেন্দু প্রসাদ ব্যানার্জী বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আমাদের প্রত্যাশা সঠিকভাবে নজরুল সঙ্গীত গাওয়া এবং পরিবেশন। কারণ নজরুলের গান বিভিন্ন সময়ে উভয় বাংলায় বিকৃত সুরে গাওয়া হয়েছে। আদি রেকর্ড অনুযায়ী নজরুলের গানকে গাইতে হবে। তাই আমরা নজরুলের গান আদি সুরে গাইতে পারে এমন ১২ জন শিল্পীকে বেছে নেবো।
