Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরের বাজারে লিচু, দাম শ’প্রতি ৩০০ টাকা
  • যশোরে শুরু হয়নি ধান সংগ্রহ অভিযান
  • চিকিৎসা নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি পরীক্ষায় বসতে দিলেন না কেন্দ্র সচিব
  • ৩৬০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী গ্রেফতার, স্বামী পলাতক
  • যশোরে মাদক মামলায় তিনজনের ১০ বছর কারাদণ্ড
  • দীর্ঘ ৮ বছর পর ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি
  • শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিরা
  • বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে মতবিনিময়
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
সোমবার, মে ৪
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

ভাইপো সাইদ গুমের অভিযোগে সাবেক এসপি আনিসসহ ২৪ জনের নামে মামলা

banglarbhoreBy banglarbhoreসেপ্টেম্বর ১, ২০২৪No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

 

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে সাইদুল ইসলাম সাঈদ ওরফে ভাইপো সাঈদ নামে এক যুবককে গুমের অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে রোববার (১ সেপ্টেম্বর) আদালতে মামলা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, সদর পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন টিএসআই রফিকুল ইসলাম রফিক, কোতয়ালি থানা পুলিশের তৎকালীন এসআই এইচ এম শহিদুল ইসলাম, এসআই আমির হোসেন, এএসআই হাসানুর রহমান, এএসআই রাজন গাজী, এএসআই সেলিম মুন্সী, এএসআই বিপ্লব হোসেন, এএসআই সেলিম আহমেদ, কনস্টেবল আরিফুজ্জামান, রমজান (চালক), হাবিবুর রহমান, আবু বক্কার, মিজান শেখ (চালক), মাহমুদুর রহমান, রাজিবুল ইসলাম ও টোকন হোসেন এবং পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা, শহরের নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড় এলাকার নুর ইসলাম নুরু, আনিস, শংকরপুর মুরগির ফার্ম এলাকার অভ্র, চাঁচড়া রায়পাড়ার হাসমত, মাসুম ও শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার খালেদুর রহমান চুন্নু।
গুমের শিকার ভাইপো সাঈদের পিতা কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন মামলাটি করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম কিবরিয়া অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী আমিনুর রহমান।
কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন মামলায় উল্লেখ করেছেন, ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে তার ছেলে সাঈদ বন্ধু শাওনের সাথে যশোর পৌরপার্কে ঘুরতে যান। দুপুর ১২টার দিকে তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের নির্দেশে মামলায় উল্লিখিত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা পৌরপার্ক থেকে সাঈদ ও শাওনকে আটক করেন। ওই সময় কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকনের স্ত্রী হীরা খাতুন বেঁচে ছিলেন। আটকের খবর পেয়ে কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন এবং তার স্ত্রী হীরা খাতুন ইজিবাইকে করে পৌরপার্কে যান। তারা পুলিশ সদস্যদের কাছে সাঈদ ও শাওনকে আটকের কারণ জানতে চান। কিন্তু পুলিশ সেখানে কিছুই বলে না। তাৎক্ষণিক কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন কোতয়ালি থানায় গেলে ডিউটিরত পুলিশ তাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। তখন এসআই এইচএম শহিদুল ইসলাম ও এসআই আমির হোসেন এসে কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকনের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। অন্যথায় সাঈদ ও শাওনকে মেরে লাশ গুম করে দেওয়া হবে। এ কথা শুনে সাঈদের মা হীরা খাতুন বাড়ি ফিরে যান। দুই দিন পর ৭ এপ্রিল হীরা খাতুন পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারেন, সাঈদ ও শাওন পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে গেছেন। এরপর হীরা খাতুন ছেলে সাঈদ ও ছেলের বন্ধু শাওনকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ সুপার বাদে মামলায় উল্লিখিত ১৬ পুলিশ কর্মকর্তা-সদস্যের কাছে কয়েকদফা গেলে তারা তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। তখন কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন ও হীরা খাতুনের ধারণা হয় যে, দাবিকৃত দুই লাখ টাকা ঘুষ না দেয়া কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ সাঈদকে অপহরণের পর হত্যা এবং লাশ গুম করে ফেলেছে। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার বাদে অপর ১৬ পুলিশ কর্মকর্তা-সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন হীরা খাতুন। পরে আসামি গোলাম মোস্তফা, নুর ইসলাম নুরু, আনিস, অভ্র, হাসমত, মাসুম ও খালেদুর রহমান চুন্নু ১০ লাখ টাকা দাবি করেন হীরা খাতুনের কাছে। তারা তাকে একথা বলেন যে, ১০ লাখ টাকা দিলে সাঈদকে ফিরিয়ে দেবে। এ সময় হীরা খাতুন তাদেরকে ১০ লাখ টাকা দেন। কিন্তু তারা ১০ লাখ টাকা নেয়ার পর সাঈদকে ফেরত না দিয়ে উল্টো হীরা খাতুনকে ধরে শাহীন চাকলাদারের (জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) বাড়িতে নিয়ে যান এবং পুলিশের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। কিন্তু হীরা খাতুন তাতে রাজি না হলে তাকে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয় এবং মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে আদালতে করা মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেওয়া হয়েছিলো। এই বৈদ্যুতিক শকের কারণে হীরা খাতুন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে তিনি মারা যান। কিন্তু কাজী তৌহিদুল ইসলাম খোকন অদ্যাবধি তার ছেলে সাঈদের কোনো খোঁজ পাননি। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেন।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরের বাজারে লিচু, দাম শ’প্রতি ৩০০ টাকা

মে ৩, ২০২৬

যশোরে শুরু হয়নি ধান সংগ্রহ অভিযান

মে ৩, ২০২৬

চিকিৎসা নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি পরীক্ষায় বসতে দিলেন না কেন্দ্র সচিব

মে ৩, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.