বাংলার ভোর প্রতিবেদক
মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। সকালে বিশেষ পূজার মাধ্যমে দেবীকে স্বপরিবারে ধরায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এরই মধ্য দিয়ে পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনায় শুরু হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার ক্ষণ গণনা।
শনিবার যশোরে ভোরের আলো ফোটার আগেই জেলার বিভিন্ন মন্দির ও মন্ডপ কমিটির আয়োজনে শুরু হয় মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতা। মহালয়া উপলক্ষে জেলার প্রধান আয়োজন করা হয় কালেক্টরেট পুকুর পাড়ে।
সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে মহালয়াকে ঘিরে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন শহরের বিভিন্ন মন্দিরের ভক্তরা। বিশেষ পূজা শেষে পূর্ব পুরুষের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় অনুষ্ঠিত হয় তিলতর্পন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, মহালয়ার দিনে কৈলাস থেকে দেবী দুর্গা তদীয় সন্তান কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও সরস্বতীকে সাথে নিয়ে মর্ত্যে পিতৃগৃহে আগমনের যাত্রা শুরু করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ আর শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার পর ভক্তের ষষ্ঠী থেকে দশমী পূজা গ্রহণ করার পর পুনরায় ফিরে যান কৈলাসে।
আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব। যা শেষ হবে ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
