বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে পৃথক ঘটনায় শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সদর থানায় পূর্বশত্রুতার জেরে শিশুসহ চারজনকে মারধর এবং এক ব্যক্তিকে চাকু দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, কেশবপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে বাড়ির মালিকপক্ষের লোকজনের মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে যশোর শহরতলীর ঝুমঝুমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বুরুজ হোসেন (৪০), আমিরুল ইসলাম (৪৫), তার ছয় বছরের মেয়ে তাবাসসুম ও সজল (২১)। তারা ওই এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে তাবাসসুমের সঙ্গে মহিন (২৪) নামে এক যুবকের হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও মহিনসহ কয়েকজন পুনরায় ঘটনাস্থলে এসে তাদের মারধর করেন। একপর্যায়ে আমিরুল ইসলামকে মারধরের সময় তার মেয়ে তাবাসসুম বাধা দিতে গেলে তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
অন্যদিকে, একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কেশবপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলতাপোল কলেজপাড়া এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে ভাড়াটিয়া কালাম (৪৫), তার মেয়ে জান্নাতুল (১২), কানিজ ফাতেমা (৮) ও জান্নাতুল ফেরদৌস মারিয়া (২২) আহত হন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসএম সাইফুল কাদের মিঠু (৫৫) বাসা ভাড়া চাইতে গেলে ভাড়াটিয়ারা ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মিঠু হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে ভাড়াটিয়াদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বাড়ির মালিক আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
তবে সাইফুল কাদের মিঠুর দাবি, তিনি বাসা ভাড়া চাইতে গেলে ভাড়াটিয়ারা তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
দুই ঘটনায়ই সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
