বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরে পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগে সুজনের করা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ১২ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বি.এম. এলোম হোসেন রানা।
তিনি সুজনের অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন দাবি করে জমি সংক্রান্ত বিরোধের প্রকৃত ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এলোম হোসেন রানা বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বায়নাপত্রের সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে সুজন পুনরায় টাকা দাবি করায় বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, কয়েকজন প্রকৃত অংশীদারকে তাদের বসতভিটা ও জমি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি বণ্টন না হওয়া জমি অন্য ব্যক্তিদের কাছে বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এলোম হোসেন রানা বলেন, এসব বিষয়ে সালিশে উপস্থিত হয়ে তিনি জমিতে সীমানা নির্ধারণের কাজ বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে জমির মালিকানা ও অংশীদারত্বের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানোর আহ্বান জানান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে জমি নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এর মধ্যে জমিতে সীমানা নির্ধারণের চেষ্টা করলে বিধবা হনুফা বেগম ও তার সন্তানদের সঙ্গে সুজনসহ কয়েকজনের মারামারির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এলোম হোসেন রানা আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দেয়া হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বি.এম. এলোম হোসেন রানার সঙ্গে মোহাম্মদ হোসেন আলী, আলী আকবর, আলমগীর হোসেন, মিলন হোসেন, রুবেল হোসেন, রায়হান হোসেন, গোলাম নবী ও হনুফা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
