আশাশুনি সংবাদদাতা :
আশাশুনি টু বুধহাটা ব্যস্ততম সড়কে গরু-ভেড়ার অবাধ বিচরণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন সড়কের মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেড থেকে চাপড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সড়কের ওপর ও দুই পাশে গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, এই অংশে বসতবাড়ি ও গাছপালা তুলনামূলকভাবে কম থাকায় সড়কের দুই পাশে প্রচুর ঘাস জন্মে। আর সেই ঘাস খাওয়ার জন্য আশপাশের গ্রামের গরু ও ভেড়া সেখানে নিয়ে আসা হতো। এখন প্রাণীগুলোকে নিয়ে না আসলেও ছাড়া পেলেই তারা নিজেরাই সেখানে চলে আসে ঘাসের সন্ধানে।
প্রতিদিন এই এলাকায় প্রায় ২০/২৫ টি গরু ও ৫০টির বেশি ভেড়ার বিচরণ দেখা যায়। গবাদিপশু হঠাৎ করে সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলে যাওয়ায় যানবাহনের চালকদের আকস্মিকভাবে গতি কমাতে কিংবা দিক পরিবর্তন করতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
অতীতেও এ সড়কে গবাদিপশুর কারণে একাধিক দুর্ঘটনায় যানবাহন, চালক ও যাত্রীরা আহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সাথে সাথে সড়কের পাশে গাছের চারাগাছ রোপণ ও সংরক্ষণেও গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ বাধা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ রাস্তার পাশে একাধিকবার বাবলা ও বিভিন্ন প্রজাতির বিজ রোপণ করা হলেও গবাদিপশুর বিচরণের কারণে অনেক বিজ থেকে চারা গজাতে পারেনি।
শনিবার বিকেলে সরেজমিনে ওই সড়কে সকালে এবং বিকেলে বেশ কিছু সময় অবস্থান করে গরু ও ভেড়ার অবাধ বিচরণের দৃশ্য চোখে পড়ে। এ সময় গবাদিপশুগুলোকে সড়কের দুই পাশের ঘাস খেতে এবং মাঝে মাঝে সড়কের ওপর দিয়ে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে দেখা যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হয়েছে। তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। আমি খুব শীঘ্রই চিঠি ইস্যু করবো।
