মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, কেশবপুর
কেশবপুরে শ্রী নদীর নাব্যতা না থাকায় পূর্বাংশের বিল কালিচরণপুর, বিল খুকশিয়া, বিল বুড়ুলিয়াসহ ২০টি বিলের প্রায় ১ হাজার ২ শত হেক্টর জমিতে এবারও বোরো আবাদ হবে না। অন্যান্য বিলে কিছু কিছু আবাদ হলেও কালিচরণপুর বিলে বিগত ৬/৭ বছরের মতো এবারও এককাঠা জমিতেও বোরো আবাদ করতে পারবেন না কৃষকরা।
কেশবপুরের পূর্বাংশের ২০টি বিলের পানি শ্রী নদী দিয়ে নিস্কাশিত হয়। পলি জমে শ্রী নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় ৮০’র দশ থেকে কেশবপুরের বিশাল এলাকার ২০টি বিল স্থায়ী জলাবদ্ধ হয়ে আছে। ২০০৫ সালে সরকার বিল খুকশিয়ায় টিআরএম (টাইটাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) চালু করে শ্রী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনলে বিলগুলোতে ফসল ফলতে শুরু করে। দুই বছর পর বিল খুকশিয়ায় বাঁধ দিয়ে মণিরাপুরের কপালিয়া বিলে টিআরএম চালু করার কথা থাকলেও দীর্ঘ ৬/৭ বছর পরও কপালিয়া বিলে টিআরএম চালু না হওয়ায় খুকশিয়া বিলসহ অন্যান্য বিলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা টিআরএম প্রকল্পের কাটিং পয়েন্ট বেঁধে দেয় বিগত ২০১৩ সালে।
কালিচরনপুর গ্রামের মহিতোষ, কৃঞ্চপদ মল্লিক, গোবিন্দ, তপন, সাধনসহ অনেকেই এ প্রতিনিধিকে জানান, টিআরএম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ৬/৭ বছর ধরে কোন ফসল ফলাতে পারছেন না। মাছের ঘেরে কাজ করে কোন রকম তাদের সংসার চলে। এই গ্রামের অনেকেই জলাবদ্ধতার কারণে এলাকা ছেড়ে পরিবার নিয়ে চলে গেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন, সরকারি হিসেবে এই ২০টি বিলে মোট জমির পরিমাণ রয়েছে ৪ হাজার ৭৫৩ হেক্টর। জলাবদ্ধতার জন্য বাকি ৯৩৬ হেক্টর জমিতে এবং বারোমাসি মাছের ঘেরের কারণে আরও ১৯০ হেক্টর জমিসহ মোট ১ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে এবার বোরো আবাদ হবে না।
তবে বাস্তবে আরও বেশি পরিমাণ জমিতে আবাদ হবে না বলে কৃষকদের দাবি।
শিরোনাম:
- ইউনূস-মোদীর প্রথম বৈঠক
- ‘যশোর গণহত্যা’ শহিদদের স্মরণে নানা কর্মসূচি
- শখের মোটরসাইকেলে প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের
- ফ্যাসিস্টরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
- আজও একশ্রেণীর মানুষ দুর্নীতি, রাহাজানি, চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে
- যশোর হার্ট ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে মতবিনিময়
- যশোরে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ
- শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২