Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • সার্ভার ডাউন : বিদ্যুৎ বিল দিতে ভোগান্তিতে যশোরের গ্রাহকরা
  • নড়াইলে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
  • চৌগাছায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু
  • তাবলীগের জেলা মুরুব্বি মুছা হুজুরের কবর জিয়ারত করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব
  • পাইকগাছায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগে জরিমানা
  • বুধবার বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী
  • রূপালী পর্দা থেকে রাজনীতিতে সবদুল
  • আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে নিহত ১, অসুস্থ চার
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Tuesday, September 15
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক জমি অধিগ্রহণ ব্যয় ৩ গুণ বৃদ্ধির প্রস্তাব

 প্রতি শতকে বাড়তি দাম প্রায় ৫ লাখ টাকা
banglarbhoreBy banglarbhoreJuly 14, 2024No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর ডেস্ক

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন করতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় হবে ১৪৮ কোটি টাকা। তিন বছরের ব্যবধানে কিলোমিটারে বাড়তি খরচ ধরা হয়েছে ৬১ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরামর্শক ব্যয় বাড়তি দেখিয়ে সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবটি দিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর।

পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো ওই প্রস্তাবে দেখা গেছে, প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। এরপর ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। পরে গত মাসে প্রকল্পের মেয়াদ ছয় মাস বাড়িয়ে এ-সংক্রান্ত প্রথম সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় সওজ। এতে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় ৩ গুণ বাড়িয়ে ২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া ও পরামর্শকের পেছনে ব্যয় নিয়ে নানা সময় প্রশ্ন উঠেছে। সড়ক নির্মাণে বেশি খরচের বিষয়টিও আলোচিত। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা জমি অধিগ্রহণপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা ও সড়ক নির্মাণে ব্যয় বেশি হওয়ার মূল কারণ অনুসন্ধান করে এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন। ২০২১ সালে ৩৭৩ একর জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয় ৮১৮ কোটি টাকা। গত মাসে সেই জমি অধিগ্রহণে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা।

এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ, পরামর্শক ব্যয়, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও পুনর্বাসন ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে প্রশ্ন উঠেছে। কমিশনের সদস্য (সচিব) এমদাদ উল্লাহ মিয়া বলেন, জমি অধিগ্রহণসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে কমিশন সওজের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে।

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। তখন প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। সর্বশেষ সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যয় ২ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ১০০ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণের বাইরে পুনর্বাসন ব্যয় ১০৪ কোটি টাকা ও পরামর্শক ব্যয় ৩৭ কোটি টাকা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতি শতকে বাড়তি দাম প্রায় ৫ লাখ টাকা:
৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়ক বর্তমানে দুই লেনের। মহাসড়কের ছয় লেন নির্মাণে ৩৭৩ একর জমি অধিগ্রহণ করার কথা। নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২১ সালে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয় ৮১৮ কোটি টাকা। তখন প্রতি শতক জমির দাম ধরা হয় ২ লাখ ১৯ হাজার টাকা। তিন বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ প্রস্তাবে প্রতি শতকের দাম ধরা হয়েছে ৭ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি। অর্থাৎ প্রতি শতকে বাড়তি দাম প্রায় ৫ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৭ সালে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন পাস হয়। এর পর থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে দামের ক্ষেত্রে ‘বাণিজ্য’ শুরু করেন অসাধু ব্যক্তিরা। এই আইনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জমির মূল্যের তিন গুণ ক্ষতিপূরণ পান। তা ছাড়া অধিগ্রহণের নোটিশ দেয়ার আগে যদি কেউ জমিতে স্থাপনা করেন, তাহলে স্থাপনার ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় দুই গুণ। তবে নোটিশ দেয়ার পর আর জমির শ্রেণি পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে না। যদিও নোটিশ জারির আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যোগসাজশ করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে ফেলেন।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, যশোর সদরের বারীনগর বাজার এলাকার মানিকদিহিতে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের পাশে চারতলা ভবন। ফাঁকা মাঠের মধ্যে ইটের ভাটার সঙ্গেই নির্মাণ করা হয়েছে ভবনটি। আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দোতলা ভবনটি বছরখানেক আগে হয়ে গেছে চারতলা। পাশেই রয়েছে আরেকটি দোতলা ভবন, সেটিও বছর দেড়েক আগে নির্মাণ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল থেকে যশোরের পালবাড়ী পর্যন্ত ঘুরে মহাসড়কের পাশে অন্তত ৩৫টি পাকা, সেমিপাকা ও টিনশেড ঘর দেখা গেছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র বলছে, জমি অধিগ্রহণে সদর উপজেলায় নোটিশ দেয়া হয় গত বছরের জানুয়ারিতে। এর আগেই সদর উপজেলায় সড়কের দুই পাশে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ছোট ছোট দোকানপাট, বাজার হয়েছে। কারখানা হয়েছে। চালকল হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জমির দাম নির্ধারণ করে। যদিও সওজ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জমির দাম নির্ধারণ না করেই সংশোধনী প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৩৭৩ একর জমি অধিগ্রহণে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয় ২০২২ সালে। অথচ এ আদেশ জারির এক বছর দুই মাস পর ওই আদেশের বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে জানানো হয়। এরই মধ্যে স্থানীয় লোকজন দুই পাশে স্থাপনা গড়ে তুলেছেন।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক এসএম রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এখনো জমির দাম ঠিক করেনি। দাম কীভাবে নির্ধারিত হয়েছে, তা তিনি জানেন না। তবে দাম নির্ধারণের কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের দাম কীভাবে ঠিক হলো, তা জানতে সওজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। সওজের কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২১ সালে ধারণার ওপর নির্ভর করে জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরি করার সময় জমির ওই প্রাথমিক মূল্যটি দিয়ে দেয়। সেই প্রস্তাবই একনেকে পাস হয়। এবারও (প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী) জমির মূল্য ধরা হয়েছে ‘অনুমানের’ ওপর। এখন জমির বর্তমান বাজারদর, হালনাগাদ মৌজা দরের কারণে ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় বেড়ে গেছে। এটাও সম্ভাব্য ব্যয় প্রস্তাব।

ঝিনাইদহ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সওজ জমির একটা দাম ধরে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত দাম পাওয়ার পর তা সমন্বয় করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘জমির মূল্য নির্ধারণ যেভাবে হয়েছে, সেটিকে আপনি ত্রুটি বলতে পারেন। চূড়ান্ত নোটিশ (৪ ধারা) দেয়ার আগে অনেকে জমিতে স্থাপনা করে ফেলেছেন।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত নভেম্বরে অনুমোদন পাওয়া ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে যশোরের বেনাপোল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হচ্ছে ১৪০ কোটি টাকা। এর আগে অনুমোদন পাওয়া ঢাকা-সিলেট বিদ্যমান দুই লেনের সড়ককে চার লেনে উন্নীত করতে কিলোমিটারে খরচ হচ্ছে ৮২ কোটি টাকা।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    সার্ভার ডাউন : বিদ্যুৎ বিল দিতে ভোগান্তিতে যশোরের গ্রাহকরা

    September 15, 2026

    নড়াইলে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

    September 15, 2026

    চৌগাছায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু

    September 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.