বাংলার ভোর প্রতিবেদক
বিভিন্ন অপরাধে আটক আটজনকে ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একদিনের সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত। বুধবার পৃথক মামলায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমনা পাল, সঞ্জয় পাল ও সাকিব আহম্মেদ ইমন এসব রায় দেন।
আদালত সূত্র ও মামলার নথি অনুযায়ী, মাদক সেবনের অভিযোগে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ সম্রাট নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে আদালতে হাজির করে। অভিযোগের শুনানি ও আসামির দোষ স্বীকারের পর আদালত তাকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সম্রাট যশোর সদর উপজেলার নারাঙ্গালী গ্রামের বাসিন্দা।
কেশবপুর থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসানের কাছ থেকে তিনটি এবং হাসিবুর রহমান সাগরের কাছ থেকে দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ মামলায় আদালত দুজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ঝিকরগাছা থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে কুন্দিপুর গ্রামের মাঠপাড়ায় রেললাইনের পাশ থেকে গাঁজাসহ রিপন আলী ও আলমকে আটক করে। আদালতে দোষ স্বীকার করায় দুজনকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
একই থানা পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে সন্তোষনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিনটি ইয়াবা ট্যবলেটসহ রায়হান বাবু ও রিফাজ হোসেনকে আটক করে। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
অন্যদিকে, বুধবার সকালে মণিরামপুরের শৈলী বাজারের লোকজন পানির পাম্পসহ সাকিব হোসেনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়ার পর চুরির মামলায় আদালতে হাজির করে।
আদালতে দোষ স্বীকার করায় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় তাকে পৃথকভাবে দুই মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে দুই ধারায় আরও ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। আদালতের রায়ে সাকিবের পৃথক সাজা আলাদাভাবে চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
