Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • জমির হারি না দেওয়ায় মামলা দিয়েছি বললেন- বাদী রুহুল আমিন
  • শিক্ষকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
  • লাইসেন্স নবায়ন বাদেই চলছে যশোর পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটাল
  • প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন ১৫ পদে ২৭ মনোনয়ন বিক্রি
  • পৈত্রিক ভিটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি
  • স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও সহজ অর্থায়নের দাবি যশোরে
  • একটি চক্র বিভাজন সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে : নার্গিস বেগম
  • কৃষ্ণনগরে অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Sunday, September 6
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

শতবর্ষী যশোর জেলা পরিষদ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে স্মারকলিপি

banglarbhoreBy banglarbhoreApril 29, 2024No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক

ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক শতবর্ষী জেলা পরিষদ ভবন ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে যশোরের জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে যশোরের ঐতিহ্য রক্ষা সংগ্রাম কমিটি। সোমবার সকালে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের কাছে নেতৃবৃন্দ এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, যশোরের ঐতিহ্যবাহী এই ভবনটি রক্ষার জন্য প্রয়োজনে তারা রাজপথে নামবেন। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, যশোর জেলা পরিষদ ভবনটি যুক্ত বাংলার প্রথম জেলা যশোরের দ্বিতীয় প্রশাসনিক ভবন। স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ১৯১৩ সালে এই ভবনটি নির্মিত হয়। ভবনটি এখন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক।

২০১৯ সালে ভবনটি একবার ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়া হয়। সে সময় যশোরবাসীর আন্দোলনের মুখে সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ঘাপটি মেরে থাকা একটি পক্ষ ব্যবসায়িক স্বার্থে সুকৌশলে পাঁচ বছর পরে এসে ফের ভবনটি ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা যশোরবাসী এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা মনে করি এটি ইতিহাস-ঐতিহ্য বিরোধী সর্বনাশী সিদ্ধান্ত। তবে জেলা পরিষদ ভবনটি সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে মূল নকসা অপরিবর্তিত রেখে সংষ্কার করে ভব্যিষৎ প্রজন্মকে যশোরের ইতিহাস জানার সুযোগ দেয়া উচিত বলে মনে করি।

আমরা লক্ষ্য করছি যে ‘একে একে নিভিছে দেওটি’ এর মতো যশোরের ঐতিহ্যের ধারক সব স্মারকগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনার প্রথম ভবন যশোর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের পরিত্যক্ত ভবন। এই ভবনটি যশোরের প্রথম কালেক্টরেট ভবন। এই ভবনটির ঐতিহ্য রক্ষায় কারো কোনো উদ্যোগ নেই। সেটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শুধু তাই নয় যশোরের জেলা জজ আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ও ইতিহাস ঐত্যিহের স্মারক।

এগুলোও আমরা সংরক্ষণের দাবি করি। যে জাতির ইতিহাস নেই সে জাতি নিঃস্ব। যশোর জেলাবাসী সমৃদ্ধ ইতিহাস ঐতিহ্যের অধিকারী। কিন্তু এসব ঐতিহ্যের স্মারকগুলো রক্ষার দায়িত্বে যারা তাদের অজ্ঞতা, অদূরদর্শীতা ও স্বার্থপ্রীতির কারণে একে একে ধংস্ব হয়ে যাচ্ছে। আমরা ভব্যিষত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে, যশোরের ইতিহাস ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে ঐতিহাসিক এই ভবনগুলো সংস্কার করে সংরক্ষণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক প্রবীণ সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা রুকুনউদ্দৌলাহ, যশোর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক মাস্টার নূর জালাল, যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, জাসদ’র কেন্দ্রীয় কার্যকরি সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা একরাম-উদ-দ্দৌলা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট যশোরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন, সদস্য সচিব শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনোতোষ বসু, প্রেস ক্লাব যশোরের যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন, শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান মজনু, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা জিল্লুর রহমান ভিটু, উদীচী যশোরের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব প্রমুখ।

স্মারকলিপি প্রদানকালে সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক রুকুনউদ্দৌলাহ বলেন, জেলা পরিষদ ভবনটি সত্যিই যদি সংস্কারের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে মূল নকশা অপরিবর্তিত রেখে সংস্কার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যশোরের ইতিহাস জানার সুযোগ দেয়া উচিত।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবারউল হাছান মজুমদার বলেন, দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ ভারতের প্রথম জেলা হলো যশোর। যশোর ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর পর ১৯১৩ সালে নিজস্ব ভবন স্থাপন করা হয়। শতবর্ষী সেই ভবনটি এখনো অবিকৃত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। এটি এখন কালের সাক্ষী, গর্বিত ঐতিহ্যের স্মারক।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    জমির হারি না দেওয়ায় মামলা দিয়েছি বললেন- বাদী রুহুল আমিন

    September 6, 2026

    শিক্ষকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ

    September 6, 2026

    লাইসেন্স নবায়ন বাদেই চলছে যশোর পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটাল

    September 5, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.